কবুতর পালন ও চিকিৎসা: প্রাথমিক তথ্য | কবুতর পালার আগে এই বিষয় গুল অবশ্যই জেনে নিন @Agriculture TV
আমাদের দেশে বিভিন্ন গৃহপালিত পাখির মধ্যে কবুতর সর্বাধিক জনপ্রিয়। কারণ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কবুতর পালন করা হয়- এর বাহ্যিক সৌন্দর্য্যগত দিকগুলোর কারণে। প্রাচীনকালে কবুতর পালন করা হতো চিঠি আদান প্রদানের কাজে। শোনা যায় প্রাচীনকালে রাজা বাদশাহ তাঁদের বিভিন্ন ধরনের বার্তা প্রেবণের জন্য বেছে নিতেন কবুতরকে। এছাড়া, সারা পৃথিবী জুড়ে কবুতরকে ধরা হয় শান্তির দূত হিসেবে। এই কারণে,বিভিন্ন গঠনমূলক কাজে ধর্মাধর্ম নির্বিশেষে কবুতরকে খাঁচামুক্ত করে উদ্বোধন করা হয়।
সবচেয়ে বড় কথা, কবুতর পালন করার জন্য অতিরিক্ত বা বাহুল্য কোন খরচ হয় না। কবুতরকে সহজেই পোষ মানানো যায়। বাড়ির যেকোন কোণ বা আঙিনা অথবা বাড়ির ছাদ কিংবা কার্নিশের মত ছোট বা অল্প জায়গাতে ও কবুতর পালন করা যায়। এমনকি ছাদের সাথে ঝুড়ি ঝুলিয়ে ও কবুতর পালন করা যায়।এই কারণে, শহরে কী গ্রামে অনেক বাড়িতেই কবুতর পালন করা যায়।
কবুতরের মাংস অত্যন্ত সুস্বাদু এবং বলকারক বিশেষজ্ঞরা বলেন, কবুতরের মাংসে সাধারণ অন্যান্য পাখির মাংসের চাইতে প্রোটিনের পরিমান বেশি।
কবুতর পালনের বিভিন্ন সুবিধা সমুহ
কবুতর পালন করলে অসুবিধার চেয়ে সুবিধার পরিমাণ বেশি। পরবর্তীতে কবুতর পালনের বিভিন্ন সুবিধাসমূহ উল্লেখ করা হলো।
(১) সাধারনত একটি ভাল জতের কবুতর বছরে ১২ জোড়া ডিম প্রদানে সক্ষম হয়ে থাকে। এই ডিম গুলোর প্রায় প্রতিটি থেকেই বাচ্চা পাওয়া যায়। এই বাচ্চা পরবর্তী ৪ সপ্তাহের মধ্যেই খাওয়া বা বিক্রির উপযোগী হয়।
(২) গৃহপালিত অন্যান্য পাখির মধ্যে কবুতরকে পোষ মানানো বা লালন করা যায়।
(৩) খুবই অল্প জায়গায় কবুতর লালন পালন করা যায়। এমনকি ঝোলানো ঝুড়িতেও কবুতর পালন করা সম্ভব। লালন পালনে কম জায়গা লাগে বলে কবুতর পোষায় খরচের পরিমাণ একেবারেই কম।
একটি খুব ভালো প্রজাতির কবুতর লালন করলে পরবর্তী ১ বছরের মধ্যে সেই জোড়া থেকে কয়েক জোড়া কবুতর পাওয়া খুব বেশি আর্শ্চযজনক বিষয় নয়। এই কবুতরকে একটি লাভজনক ব্যবসা হিসেবে ধরা যেতে পারে। কারণ, কবুতর লালন-পালনের খরচ খুব একটা নেই। এমনকি কবুতরের রোগ ব্যাধি কম হয়। কবুতরের থাকার জায়গা নির্বাচনে ও অতিরিক্ত যত্নের প্রয়োজন হয় না। এই কারণে ব্যবসায়িক ভিত্তিতে কবুতর পালন অবশ্যই লাভজনক।
☘️🌾 🐮🦌🐂🐏🐐🐫🦃🐔🐓🐣🐤🦆🦢🐟🐠🐡🦈🐚🐌🐝🌻🌾
বাংলাদেশ একটি কৃষি প্রধান দেশ। কৃষি আমাদের অর্থনীতির প্রাণ। আমাদের আবহমান বাংলার গৌরবময় ইতিহাস ঐতিহ্য মিশে আছে কৃষির সঙ্গে। বাঙালি জাতির শেকড় নিহিত রয়েছে কৃষির মধ্যে। প্রাচীনকাল থেকে আমাদের অর্থনীতিতে কৃষি ও কৃষকের অবদান অসামান্য। দেশের জনগণের দৈনন্দিন খাদ্য চাহিদা ও আমিষের চাহিদা পূরণ, শিল্পোৎপাদন, কর্মসংস্থানসহ রপ্তানি বাণিজ্যে কৃষিখাতের অবদান উল্লেখযোগ্য। তাই কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে এবং কৃষকের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান দিতে এগ্রিকালচার টিভির প্রচেষ্টা অব্যাহত।
এছাড়াও দারিদ্র বিমোচনে আছে বিভিন্ন ধরণের খামারের গুরুত্ব। সব ধরণের ভিডিও আমরা নিখুঁত ভাবে উপস্থাপন করতে চেষ্টা করছি। যদিও আমাদের এখনও কিছুটা ত্রুটি আছে। আমরা চেষ্টা করছি আমাদের ত্রুটিগুলি দ্রুত ঠিক করার জন্য।
"কৃষি ও কৃষকের কল্যাণে" স্লোগানের ব্যানারে যাত্রা শুরু করে "এগ্রিকালচার টিভি"
আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের ভালোবাসায় একটু-একটু করে এগিয়ে চলেছে ।
আপনারা কোন ধরণের অনুষ্ঠান দেখতে পছন্দ করেন তা কমেন্ট বক্সে লিখুন। আমরা আপনাদের চাহিদার যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে থাকি। দর্শকরাই জিরো টিভি বাংলার প্রাণ শক্তি। আপনাদের উৎসা অনুপ্রেরণা আমাদের চলার পথের পাথেয়।
*** আপিনি কি আপনার নির্মিত অনুষ্ঠান শর্ত সাপেক্ষে প্রচার করতে চান?
*** আপনি কি আপনার কোম্পানীর বিজ্ঞাপন প্রচার করতে চান?
*** আপনি কি আপনার কৃষি ক্ষেত, গবাদী পশু, মৎস্য খামারের ভিডিও প্রচার করতে চান?
*** তাহলে আজই আমাদের মেইল করুন।
কোন মন্তব্য নেই
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন