গাইবান্ধায় বাণিজ্যিকভাবে বিটরুট চাষ: কৃষকের মুখে হাসি
গাইবান্ধায় বাণিজ্যিকভাবে বিটরুট চাষ: কৃষকের মুখে হাসি
গাইবান্ধার কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছেন স্থানীয় কৃষকরা। ধান ও পাটের মতো প্রচলিত ফসলের বাইরে এবার বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয়েছে ভিনদেশি সবজি বিটরুট, যা নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করছে।
গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সদর ও ফুলছড়ি উপজেলায় মোট ৩০ শতক জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে বিটরুটের চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে গাইবান্ধা সদরের সুপারির ভিটা গ্রামে ২০ শতক এবং ফুলছড়ির ভাষারপাড়া গ্রামে ১০ শতক জমিতে চাষ হয়েছে।
ভিডিও লিংক ইউটিউব : https://youtu.be/zYk4nY8UPv0
কৃষকের সফলতা
গাইবান্ধা সদরের সুপারির ভিটা গ্রামে কৃষক দম্পতি ফারুকুজ্জামান ফারুক ও মাহফুজা বেগম ২০ শতক জমিতে বিটরুট চাষ করে সফলতা পেয়েছেন। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এসকেএস ফাউন্ডেশনের সহায়তায় গত নভেম্বরে চাষ শুরু করে তারা। বর্তমানে জমিতে প্রায় ১ হাজার কেজি বিটরুট রয়েছে, যা ১৫০-২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে লক্ষাধিক টাকা লাভের আশা করছেন তারা।
সুপারফুড বিটরুট
বিটরুট পুষ্টিগুণ ও ঔষধি গুণে সমৃদ্ধ। শীতকালে বেশি উৎপাদিত হলেও সারাবছরই বাজারে পাওয়া যায় এবং ভালো দামে বিক্রি হয়। কৃষকদের সফলতা দেখে স্থানীয় অনেকে এখন বিটরুট চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
কৃষি ও উন্নয়ন সংস্থার ভূমিকা
এসকেএস ফাউন্ডেশনের এসএমএপি প্রকল্পের ব্যবস্থাপক হারুন অর রশিদ বলেন, "আমরা কৃষকদের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে আসছি এবং তাদের উৎপাদিত ফসলের বাজারজাতকরণেও সহযোগিতা করছি।"
গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. খোরশেদ আলম বলেন, "গাইবান্ধার মাটি বিটরুট চাষের জন্য উপযুক্ত। কৃষকরা ভালো ফল পাচ্ছেন, যা আশাব্যঞ্জক।"
সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ
প্রচলিত ফসলের তুলনায় বিটরুট চাষে খরচ কম ও লাভ বেশি। কৃষি বিভাগের সঠিক সহায়তা পেলে গাইবান্ধার কৃষকরা ব্যাপক পরিসরে বাণিজ্যিকভাবে বিটরুট চাষে যুক্ত হতে পারেন।
000
বাংলাদেশের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে ভিনদেশি লাল খয়েরি এই ফল। পুষ্টিগুণে ভরপুর ও সুস্বাদু এই ফলটির বাণিজ্যিক চাষ ইতোমধ্যে গাইবান্ধায় শুরু হয়েছে। এটি মূলত ইউরোপের এক জনপ্রিয় সবজি, যা প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয়েছিল আঠারো শতকে। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ফাইবার, ভিটামিন সি, ফলিক অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। বলছি বিটরুটের কথা।
কৃষিনির্ভর জেলা গাইবান্ধায় কৃষকরা নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছেন। এবার প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয়েছে ভিনদেশি সবজি বিটরুট, যা কৃষকদের জন্য নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। গাইবান্ধা সদর উপজেলার সুপারির ভিটা গ্রামের কৃষক দম্পতি ফারুকুজ্জামান ফারুক ও মাহফুজা বেগম তাদের ২০ শতক জমিতে বিটরুট চাষ করে দারুণ সাফল্য অর্জন করেছেন।
ফারুকুজ্জামান ফারুক জানান, এসকেএস থেকে ২০ হাজার টাকা সহায়তা নিয়ে তারা বিটরুট চাষ শুরু করেন। বর্তমানে তাদের জমিতে প্রায় ১ হাজার কেজি বিটরুট রয়েছে। প্রতিকেজি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হওয়ায় তারা লক্ষাধিক টাকা লাভের আশা করছেন। বিটরুটকে সুপারফুড হিসেবে গণ্য করা হয়, যা বিভিন্ন পুষ্টিগুণ ও ঔষধি গুণসম্পন্ন। সাধারণত শীতকালে বেশি উৎপাদন হলেও বর্তমানে সারাবছরই এটি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে এবং ভালো দামে বিক্রি হচ্ছে। কৃষকদের সফলতা দেখে স্থানীয় অনেকেই এখন বিটরুট চাষে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।
গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. খোরশেদ আলম বলেন, "গাইবান্ধার মাটি বিটরুট চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষকরা ভালো ফল পাচ্ছেন, যা খুবই আশাব্যঞ্জক। বিটরুট লাভজনক ফসল হওয়ায় এর সম্প্রসারণের জন্য আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করব।"
কৃষকদের মতে, প্রচলিত ফসলের তুলনায় বিটরুট চাষে কম খরচ ও সময় লাগে, অথচ লাভ বেশি হয়। ফলে জেলার কৃষিতে এটি একটি সম্ভাবনাময় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। কৃষি বিভাগের সহায়তা ও সঠিক বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে গাইবান্ধার কৃষকরা ব্যাপক হারে বাণিজ্যিকভাবে বিটরুট চাষে যুক্ত হতে পারেন।

কোন মন্তব্য নেই
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন