পেঁপে গাছে গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত ফল পেতে চাইলে মানতে হবে সময়ানুযায়ী সার ব্যবস্থাপনা
পেঁপে গাছে গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত ফল পেতে চাইলে মানতে হবে সময়ানুযায়ী সার ব্যবস্থাপনা
পেঁপে একটি লাভজনক এবং চাহিদাসম্পন্ন ফল হলেও এর কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন পেতে হলে সঠিক সময় ও পরিমাণে সার প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। অনেক চাষি আছেন যারা গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত ফল ধরার স্বপ্ন দেখেন, কিন্তু সার ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের কারণে সে ফল পান না। তবে নির্দিষ্ট শিডিউল অনুসরণ করে সার ব্যবস্থাপনা করলে এই সমস্যা দূর হওয়া সম্ভব।
✅ চারা রোপণের আগের সার ব্যবস্থাপনা:
পেঁপের চারা রোপণের ১০-১৫ দিন আগে প্রতি গর্তে যে সারের মিশ্রণ দিতে হবে তা হলো—
-
পঁচা গোবর: ১০ কেজি
-
টিএসপি/ডিএপি: ৭০-৮০ গ্রাম
-
জিপসাম: ২৫-৩০ গ্রাম
-
ম্যাগনেশিয়াম: ২০ গ্রাম
-
জিংক: ৫-১০ গ্রাম (জিংক আলাদাভাবে মিশাতে হবে)
-
বোরন: ৫-১০ গ্রাম
✅ চারা রোপণের পর ধাপে ধাপে সার প্রয়োগ:
🔹 প্রথম ডোজ (৩০-৩৫ দিন পর):
গাছ প্রতি ইউরিয়া ৫০ গ্রাম এবং এমওপি ৫০ গ্রাম, গোড়া থেকে ১০-১২ ইঞ্চি দূরে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।
🔹 দ্বিতীয় ডোজ (৬০-৬৫ দিন পর):
গাছ প্রতি ইউরিয়া ৫০ গ্রাম এবং ডিএপি ৫০ গ্রাম, গোড়া থেকে ১-১.৫ ফুট দূরে প্রয়োগ করতে হবে।
🔹 তৃতীয় ডোজ (৯০-৯৫ দিন পর):
প্রতি গাছে ইউরিয়া ৮০-৯০ গ্রাম, গোড়া থেকে ১.৫ ফুট দূরে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।
🔹 চতুর্থ ডোজ (১২০-১৩০ দিন বয়সে):
ইউরিয়া ১০০ গ্রাম, ডিএপি ৫০-৬০ গ্রাম ও বোরন ১০ গ্রাম প্রতিটি গাছে, গোড়া থেকে ১.৫-২ ফুট দূরে প্রয়োগ করুন।
📌 বিশেষ পরামর্শ:
যদি গাছের বৃদ্ধি স্বাভাবিকের তুলনায় কম হয়, তাহলে সারের সঙ্গে বায়োফার্টি বা মিরাকেল গ্রোথ ব্যবহার করলে দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।
⚠️ জমির উর্বরতা কম হলে জৈব সার ব্যবহারে কোনো কৃপণতা করা যাবে না।
📢 আপনার পেঁপে বাগানে ভালো ফলন চাই?
তাহলে এই তথ্যগুলো কাজে লাগান আজই!
👍 পোস্টটি লাইক দিন
✍️ কমেন্টে জানিয়ে দিন আপনি কোথায় চাষ করছেন
🔁 বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন
📲 আমাদের পেজ Agriculture TV-কে এখনই ফলো করুন কৃষির সব খবর পেতে!
#পেঁপে_চাষ #সার_ব্যবস্থাপনা #AgricultureTV #PapayaFarming #SmartFarming

কোন মন্তব্য নেই
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন