বাংলাদেশের GI পণ্যসমূহ (নাম + স্থান + সংক্ষিপ্ত বিবরণ)
বাংলাদেশের GI পণ্যসমূহ (নাম + স্থান + সংক্ষিপ্ত বিবরণ)
জামদানি শাড়ি (ঢাকা – নারায়ণগঞ্জ, সোনারগাঁও, রূপগঞ্জ)
– মসলিনের উত্তরসূরি হিসেবে পরিচিত সূক্ষ্ম নকশা করা শাড়ি। ঐতিহ্যবাহী হাতের তাঁতে তৈরি।ইলিশ মাছ (পদ্মা-মেঘনা ও উপকূলীয় অঞ্চল)
– জাতীয় মাছ, স্বাদ ও গন্ধে অনন্য। বাংলাদেশে উৎপাদিত ইলিশ বিশ্ববিখ্যাত।খিরসাপাত আম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)
– রসাল, সুগন্ধি ও পাতলা খোসার আম। “হিমসাগর” নামেও পরিচিত।বিজয়পুরের সাদা মাটি (ময়মনসিংহ)
– উচ্চমানের সিরামিক ও চীনামাটির বাসন তৈরির কাঁচামাল।দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল
– সুবাসিত ও নরম দানার চাল, ভাত ও পোলাওয়ের জন্য বিখ্যাত।কালিজিরা চাল (দিনাজপুর-রাজশাহী অঞ্চল)
– ছোট দানার সুগন্ধি চাল, খিচুড়ি ও পোলাওয়ে জনপ্রিয়।রংপুরের শাটরঞ্জি
– হাতে বোনা রঙিন মাদুর/কার্পেট, রপ্তানিযোগ্য হস্তশিল্প।রাজশাহী সিল্ক
– সূক্ষ্ম সুতার শাড়ি ও পোশাকের জন্য প্রসিদ্ধ।ঢাকাই মসলিন (ঢাকা)
– পৃথিবীর সূক্ষ্মতম সুতি কাপড়, একসময় রোমান-গ্রিক সাম্রাজ্যে রপ্তানি হতো।ফজলি আম (রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ)
– আকারে বড়, মিষ্টি স্বাদের আম, ঐতিহাসিকভাবে নবাব পরিবারে জনপ্রিয় ছিল।বাগদা চিংড়ি (খুলনা-সাতক্ষীরা-বাগেরহাট)
– রপ্তানিযোগ্য প্রধান চিংড়ি প্রজাতি, সাগর উপকূলে চাষ হয়।শীতল পাটি (সিলেট-হবিগঞ্জ)
– পাটিচিটা গাছের আঁশ থেকে বোনা ঠাণ্ডা মাদুর।বগুড়ার দই (বগুড়া)
– ঘন ও মিষ্টি স্বাদের জন্য প্রসিদ্ধ, দেশের বাইরে রপ্তানিও হয়।তুলসীমালা সুগন্ধি চাল (শেরপুর)
– সুগন্ধি ও দীর্ঘ দানার জন্য বিশেষভাবে চাহিদাসম্পন্ন।ল্যাংড়া আম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)
– সবুজ খোসার আম, রসাল ও মিষ্টি, ভোক্তাদের কাছে জনপ্রিয়।আশ্বিনা আম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)
– দীর্ঘস্থায়ী ও সুস্বাদু জাতের আম।নাটোরের কাঁচাগোলা (নাটোর)
– দুধ থেকে তৈরি নরম মিষ্টি, পুরোনো ঐতিহ্যের অংশ।ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল (চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ)
– উচ্চমানের মাংস ও চামড়ার জন্য বিখ্যাত দেশীয় জাত।পোরাবাড়ির চমচম (টাঙ্গাইল)
– মিষ্টির জগতে অনন্য, দুধ-চিনি থেকে তৈরি।কুমিল্লার রসমালাই (কুমিল্লা)
– দুধের ছানা দিয়ে তৈরি নরম মিষ্টি, রস ঘন দুধে ডুবানো।কুষ্টিয়ার তিল খাজা (কুষ্টিয়া)
– ভেতরে তিল ও চিনি ভরা খাস্তা মিষ্টি।রংপুরের হাড়িভাঙা আম (রংপুর)
– অতি মিষ্টি স্বাদের জন্য প্রসিদ্ধ।মৌলভীবাজারের আগর (মৌলভীবাজার)
– আগর কাঠ থেকে আতর তৈরির জন্য বিখ্যাত।মৌলভীবাজারের আগর আতর (মৌলভীবাজার)
– সুগন্ধি তৈরির জন্য বহুল ব্যবহৃত।মুক্তাগাছার মন্ডা (ময়মনসিংহ)
– দুধ-চিনি থেকে তৈরি নরম মন্ডা মিষ্টি।যশোরের খেজুরের গুড় (যশোর)
– শীতকালে উৎপাদিত, মিষ্টি ও স্বাদে অনন্য।নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা (নরসিংদী)
– আকারে বড় ও স্বাদে মিষ্টি কলা।রাজশাহীর পান (রাজশাহী)
– সুগন্ধি ও ঝাঁজালো স্বাদের জন্য খ্যাত।গোপালগঞ্জের রসগোল্লা (গোপালগঞ্জ)
– দুধের ছানা দিয়ে তৈরি রসালো মিষ্টি।জামালপুরের নকশীকাঁথা (জামালপুর)
– হাতে সেলাই করা শিল্পকর্ম, ঐতিহ্যের প্রতীক।টাঙ্গাইল শাড়ি (টাঙ্গাইল)
– জামদানি ধাঁচের শাড়ি, টাঙ্গাইল তাঁতিদের সৃষ্টি।নরসিংদীর লটকন (নরসিংদী)
– ছোট গোল ফল, টক-মিষ্টি স্বাদের জন্য পরিচিত।মধুপুরের আনারস (টাঙ্গাইল – মধুপুর)
– সুস্বাদু ও রসালো আনারস, বাজারে জনপ্রিয়।ভোলার মহিষের দই (ভোলা)
– মহিষের দুধ থেকে তৈরি দই, ঘন ও স্বাদে অনন্য।মাগুরার হাজারাপুরি লিচু (মাগুরা)
– মিষ্টি স্বাদের দেশি লিচু।সিরাজগঞ্জের গামছা (সিরাজগঞ্জ)
– ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প, স্থানীয় কারিগরদের তৈরি।সিলেটের মণিপুরী শাড়ি (সিলেট)
– মণিপুরী সম্প্রদায়ের তৈরি বর্ণিল শাড়ি।মিরপুরের কাটান শাড়ি (ঢাকা – মিরপুর)
– রঙিন সুতার ঘন নকশার শাড়ি।ঢাকার ফুটী সুতি কাপড় (ঢাকা)
– ঐতিহ্যবাহী সূক্ষ্ম সুতি কাপড়।কুমিল্লার খাদি কাপড় (কুমিল্লা)
– হাতে কাটা ও বোনা কাপড়।ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চানামুখী মিষ্টি (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
– দুধের ছানা থেকে তৈরি বিশেষ মিষ্টি।গোপালগঞ্জের ব্রোঞ্জ গহনা (গোপালগঞ্জ)
– ব্রোঞ্জ দিয়ে তৈরি ঐতিহ্যবাহী অলংকার।সুন্দরবনের মধু (খুলনা-বাগেরহাট-সাতক্ষীরা)
– বনে মৌমাছি থেকে সংগৃহীত প্রাকৃতিক মধু।শেরপুরের ছানার পায়েস (শেরপুর)
– দুধের ছানা দিয়ে রান্না করা পায়েস।সিরাজগঞ্জের লুঙ্গি (সিরাজগঞ্জ)
– ঐতিহ্যবাহী পুরুষদের পরিধেয় পোশাক।গাজীপুরের কাঁঠাল (গাজীপুর)
– বড় আকৃতির, মিষ্টি স্বাদের কাঁঠাল।কিশোরগঞ্জের রতাবোরো ধান (অষ্টগ্রাম-ইটনা-মিঠামইন)
– হাওড় অঞ্চলের বিশেষ ধান।অষ্টগ্রামের পনির (কিশোরগঞ্জ)
– দুধ থেকে তৈরি চিজ, দেশি ঐতিহ্য।বরিশালের আমড়া (বরিশাল)
– টক-মিষ্টি ফল, আচার তৈরিতে ব্যবহৃত।কুমারখালীর চাদর (কুষ্টিয়া – কুমারখালী)
– হস্তচালিত তাঁতে তৈরি ঐতিহ্যবাহী চাদর।দিনাজপুরের ডালিম লিচু (দিনাজপুর)
– বড় আকৃতির ও মিষ্টি স্বাদের লিচু।

কোন মন্তব্য নেই
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন